1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
হজের বাকি ৫০ দিন, এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় সৌদি আরব | Starmail24
শিরোনাম :
সাহেদ যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, ছাড় দেয়ার প্রশ্নই আসে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর সাথে রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত, খুলতে পারে প্রবাসীদের ভাগ্য করোনায় আক্রান্ত নারী চিকিৎসকের আক্ষেপ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান করোনায় আক্রান্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসহ পাঁচ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিরাট সুখবর আতাইকুলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতার ১৩লাখ টাকা ছিনতাই মামলা উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে শিল্পী জুলি শারমিলীর জন্মদিন আজ দুদফায় প্লাজমা থেরাপি দিয়েও বাঁচানো গেল না শিক্ষক নয়নকে করোনায় প্রাথমিকের ৮ শিক্ষক-কর্মকর্তার মৃত্যু




হজের বাকি ৫০ দিন, এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় সৌদি আরব

স্টার মেইল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০

মুসলিমদের সর্ববৃহৎ জমায়েত হজের আর মাত্র ৫০ দিনের মতো বাকি থাকলেও এ বছর তা হবে কি না, এ বিষয়ে এখনো সৌদি আরব কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি বলে জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, ‘হজ নিয়ে সৌদি সরকার এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। হজ হবে কি না, কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমরা সৌদি সরকারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। কোনো খবর এলে আমরাই আগে জানতে পারব।’ বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ খবর জানিয়েছে।

গত সোমবার গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয় যে এবার প্রতিটি দেশ থেকে কোটার ২০ শতাংশ লোক নিয়ে হজ হবে। এ বিষয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ নিউজের কোনো সত্যতা নেই। মনগড়া নিউজ হলে তো হবে না। সৌদি সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।’

হজের মাত্র সময় আছে ৫০ দিন। হজ হতে হলে একটি যৌক্তিক সময় দিতে হবে উল্লেখ করে শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, ‘দেখুন, এবারে হজ হবে কি হবে না এটি সৌদি সরকারে সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। যদি হজ হয় তাহলে নিশ্চয়ই একটি যৌক্তিক সময় দিয়েই তারা ঘোষণা দেবে।’

শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, আয়োজক দেশ হিসেবে সৌদি আরব হজ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পরামর্শ করে বাংলাদেশ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

‘আমরা যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য প্রস্তুত’ উল্লেখ করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হজযাত্রীদের নিবন্ধকরণ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ সংক্ষিপ্ত নোটিশে হাজিদের পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে।’

এবার করোনা পরিস্থিতি ও সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত এখনো না পাওয়ার কারণে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা অনেক কম হয়েছে বলেও জানান শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, মহামারিজনিত কারণে সৌদি আরব যদি এ বছর হজ জামাত আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে নিবন্ধিত প্রার্থীরা পরের বছর অগ্রাধিকার পাবেন।

আবদুল্লাহ বলেন, ‘যারা ইতোমধ্যে হজের জন্য অর্থ জমা দিয়েছেন, তাদের চিন্তার দরকার নেই। আপনি পরের বছর অগ্রাধিকার পাবেন। আগামীবার না যেতে চাইলে টাকা ফেরত পাবেন। এ বিষয়ে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’

হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ‘রয়টার্স তাদের ধারণা থেকে নিউজ করেছে। সৌদি থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।’

‘সৌদি সরকার যখনই সিদ্ধান্ত নেবে, তখনই হজে লোক পাঠানো যাবে। সৌদি চাইলে এবার কম লোক দিয়ে এবং হজের সময় কম দিয়ে ঘোষণা দিতে পারে। অতএব সৌদি যেভাবে চাইবে সেভাবেই হজ হবে। সবকিছু সৌদির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।’ যোগ করেন এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম।

হাব সভাপতি বলেন, ‘হজের নিবন্ধ শেষ করে আমরা প্রস্তুত আছি। সৌদি যখনই সিদ্ধান্ত জানাবে, তখনই হজ যাত্রীদের পাঠাতে আমরা প্রস্তুত।’

কত দিন সময় রেখে ঘোষণা দিলে হজে লোক পাঠানো যাবে জানতে চাইলে এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ‘সৌদি সরকার যদি মনে করে এবার হজ করা সম্ভব, সে যৌক্তিক সময় নির্ধারণ করেই তারা নির্দেশনা দেবে।’

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে বাংলাদেশের হজের কোটা এক লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আছেন ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার।

তবে, করোনার কারণে এ বছর নিবন্ধিত ৬৪ হাজার ৫৯৪ জনের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিন হাজার ৪৫৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬১ হাজার ৫৯৪ জন নিবন্ধন করেছেন।

ফেব্রুয়ারিতে মন্ত্রিসভা হজ প্যাকেজ-২০২০ এর খসড়া অনুমোদন করে। যেখানে সরকার কর্তৃক পরিচালিত প্যাকেজ-৩ এর আওতায় একজন হজযাত্রীর ন্যূনতম ব্যয় তিন লাখ ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

গত মার্চে সৌদি আরব বাংলাদেশকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হজ সম্পর্কিত কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধকরণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়।

এ বছর চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৩০ জুলাই (৯ জিলহজ) হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




এই বিভাগের আরো সংবাদ