1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
সাহেদ যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, ছাড় দেয়ার প্রশ্নই আসে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | Starmail24
শিরোনাম :
খুলনায় র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাবেক চেয়ারম্যান নিহত আজ পবিত্র আরাফাত দিবস ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ মালয়শিয়া প্রবাসী ড. ফয়জুল হকের দেশের বাড়ীতে ডাকাত দলের হামলা রায়হানকে ফেরত পাঠাবে কিনা বিষয়টি মালয়েশিয়ান আইন এবং সরকারের সিদ্ধান্ত পথশিশুদের মধ্যে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ঈদ উপহার বিতরণ করোনায় দেশে একদিনে ৫৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭৫ রাঙ্গাকে সরিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিব হলেন জিয়াউদ্দিন বাবলু করোনাকালে গুন্ডাপান্ডার গান ‘আইসোলেশন’ আমরা ক’জন মুজিব সেনা’র নতুন কমিটি গঠন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাজউদ্দিন আহমেদের পরিবারের বিবৃতি (ভিডিও)




সাহেদ যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, ছাড় দেয়ার প্রশ্নই আসে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ষ্টার মেইল রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০

চিকিৎসা নিয়ে প্রতারণা করা রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ করিম যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে ছাড় দেয়ার প্রশ্নই আসে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার সংসদ সদস্যকে ছাড় দেননি, তার দলীয় নেতাদেরও তিনি ছাড় দিচ্ছেন না। যার (সাহেদ) কথা বলেছেন, যদি প্রমাণিত হয়, তাকে ছাড় দেয়ার প্রশ্নই আসে না। তাকে ধরার জন্য অনুসন্ধান চলছে। র‌্যাব ও পুলিশ উভয়েই খুঁজছে। আমরা মনে করি, খুব শিগগিরই আমরা তথ্য দিতে পারব।

গত ৭ই জুলাই উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযানের সময় সাহেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন দিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই তা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি ফোন দিয়ে তার হাসপাতালে রোগী ভর্তি করি, সেই সুবাধে আমাকে ফোন দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হাসপাতাল সিল করে দিচ্ছে।

“আমি বলেছি, আপনি নিশ্চয়ই কোনো অন্যায় কাজ করেছেন, এ জন্য সিল করছে। বিনা কারণে তো সিল করে না। সে বলল- আমি তাহলে কী করব? আমি বললাম, হয় আপনি ফেইস করেন, আপনার যদি কিছু বলার থাকে কোর্টে যান। এইটুকুই আমি বলেছি।”

উল্লেখ্য, র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীর রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে। পরে করোনা পরীক্ষা না করেই সার্টিফিকেট দেয়া, প্রতারণা, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ, চিকিৎসায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের প্রধান কার্যালয়, উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে মামলা করে সংস্থাটি। মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সাহেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজসহ পলাতক রয়েছেন আরাে আটজন।

সাহেদ নিজেকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য বলে পরিচয় দিতেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে তার তোলা ছবি ভেসে আসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।




এই বিভাগের আরো সংবাদ