1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
সচিবালয়ই একমাত্র অফিস নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী | Starmail24




সচিবালয়ই একমাত্র অফিস নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টার মেইল, ঢাকা
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২০

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতিতে সচিবালয়ে এসে বসে থাকা ছাড়াও নানাভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘এই দুঃসময়ে কাজ করতে কেবল সচিবালয়ে এসে বসে থাকাই মন্ত্রীর একমাত্র কাজ নয়। বরং দেশের কোনো হাসপাতালে কি কাজ হচ্ছে, মানুষ হাসপাতাল থেকে বিনা চিকিৎসায় ফিরে যাচ্ছে কিনা, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা এগুলো দেখভাল করে ও খোঁজ নিয়ে যথার্থ উদ্যোগ নেয়াটাই এখন আসল কাজ।’

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দপ্তরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে এক অনির্ধারিত বৈঠকে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এদিকে, বৃহস্পতিবার দৈনিক প্রথম আলায় ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী অফিস করেন না’ শিরোনামে যে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, ‘পরিবেশিত সংবাদটি মিথ্যা ও জনমনে উস্কানিমূলক।’

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী অফিস করেন না’ এই শিরোনামেই গলদ রয়েছে।

পত্রিকারটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গত ২৫ মে ছিল পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের ছুটির পর থেকেই মন্ত্রণালয়ে অনিয়মিত স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একরকম সমালোচনার মুখে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গুঞ্জন আছে, বিতর্ক এড়াতে ও ব্যর্থতা ঢাকতে তিনি চুপচাপ আছেন।’

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃত ঘটনাটি হচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা গত ২৭ মে থেকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। তার পূর্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব করোনায় আক্রান্ত থাকাকালে আরেক দফা ১৪ দিনের হোম আইসোলেশনে থাকতে হয়েছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। তারপর স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব আলী নূর সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নানের স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদও করোনায় আক্রান্ত হন। সচিবালয়ে বর্তমানে মন্ত্রীর দপ্তরে ৩ জনসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, উপসচিব, সহকারী সচিব থেকে অন্যান্য কর্মচারীসহ ৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত অবস্থায় রয়েছেন। এরকম অবস্থায় নিয়মিত অফিসে আসার বিপরীতে অনলাইনে নির্দেশনা সমূহ বাস্তবায়নে কাজ করে যাওয়াটাও কম জরুরি নয়।’

প্রসঙ্গত, উল্লিখিত কারণে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর করোনায় আক্রান্তের ঝুঁকি বেশি থাকায় কেবিনেট সেক্রেটারি ২ বার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে কেবিনেট সভায় যোগদান না করার পরামর্শ প্রদান করেন। এমনকি একবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে এক সভা থেকে সভা না করেই চলেও আসতে হয়েছিল। সরকার ঘোষিত সরকারি ছুটিকালীন সময়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব, মহাপরিচালকসহ সকল স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, কর্মচারী কোনো ধরনের ছুটি ভোগ না করে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত থাকেন। যেহেতু আক্রান্ত জনসংযোগ কর্মকর্তা, সচিব, একান্ত সচিব, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সন্নিকটেই অবস্থান করেন। সুতরাং স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ১ জুন থেকে বাসায় হোম আইসোলেশনে থাকতে হয়েছে। অথচ পত্রিকাটিতে হোম আইসোলেশনে থাকা সময়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রী অফিস করেন না শিরোনাম করে তুলে ধরা হয়েছে।

এক প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যদি নিস্ক্রিয়ই থাকতাম তাহলে কিভাবে মাত্র একটি টেস্টিং ল্যাব থেকে ৬৬টি টেস্টিং ল্যাবে পরিণত হলো, মাত্র ১০০ করোনা পরীক্ষা থেকে বৃদ্ধি করে ১৫ থেকে ১৯ হাজারে উত্তীর্ণ হলো। মাত্র ১৫ দিন সময়ে বসুন্ধরায় ২০০০ বেড, উত্তর সিটি কর্পোরেশন মার্কেট ও উত্তরার দিয়া বাড়িতে মোট প্রায় ৩০০০ বেড, আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতাল, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, শিকদার মেডিকেলের মত বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনা চিকিৎসা ও পরীক্ষা ব্যবস্থা শুরু হলো? শুধু ঢাকায় থাকা কিছু আইসিইউ সুবিধাকে কিভাবে দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে পৌঁছে দিতে সক্ষম হলো। মাত্র ১০ দিনে ২০০০ নতুন চিকিৎসক ও প্রায় ৬ হাজার নতুন নার্স নিয়োগ হলো?’




এই বিভাগের আরো সংবাদ