1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
শিরোনাম :
‘এটাতো চিন্তাও করা যায় না মুজিববর্ষে ভারতের প্রতিনিধিত্বকে আমরা বাদ দেবো’ কারাবন্দি খালেদা জিয়ার এবারও জামিন হলো না রিমান্ডে মন্ত্রী,এমপি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের নাম পাপিয়ার মুখে যশোরে ছাত্রবাসে মিললো বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গুলি-বোমা দিল্লিতে সংঘর্ষের মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ প্রয়োজনে মুসলমানদের জন্য জীবন দিবো, মাথা নোয়াব না: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালয়েশিয়ান সিভিল সার্ভেন্টদের রাজনীতি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব মহিলালীগের নাজমা অপুকে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন কেনো এসেছো? ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেলে এক লাখ টাকা নয়, পুরো টাকাই ফেরত পাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শাস্তিমূলক বদলি




শেখ হাসিনার জনসভার আগে গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি

ষ্টার মেইল রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২০

চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আগে গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা মামলার রায়ে পাঁচজনকে ফাঁসি দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ (ভারপ্রাপ্ত) ইসমাইল হোসেনের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কোতোয়ালি থানার তৎকালীন পেট্রোল ইন্সপেক্টর গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল (পলাতক), সাবেক পুলিশ কনস্টেবল মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, মো. আব্দুলাহ এবং মমতাজ উদ্দিন।

১৯ জানুয়ারি এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আত্মসমর্পণকারী চার আসামির জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

এর আগে ১৪ জানুয়ারি ৫৩তম সাক্ষী আইনজীবী শম্ভুনাথ নন্দী সাক্ষ্য দেন। সেদিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ১৯ জানুয়ারি দিন ঠিক করেন আদালত। আসামিপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন করেনি বলে আদালত রায় ঘোষণার সময় ঠিক করেন।

১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি নগরীর লালদীঘি ময়দানে সমাবেশে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ২৪ জন মারা যান। আহত হন দু’শতাধিক মানুষ।

৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ মার্চ আইনজীবী মো. শহীদুল হুদা বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মামলাটি পুনরায় প্রাণ ফিরে পায়। আদালতের আদেশে মামলাটির তদন্তের ভার পড়ে সিআইডির ওপর। সিআইডি ১৯৯৭ সালের ১২ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে আদালতে। আবারও আদালতের নির্দেশে অধিকতর তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালের ৩ নভেম্বর পুলিশের আট সদস্যকে আসামি করে দ্বিতীয় দফায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

পাঁচ আসামির মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। তারা হলেন- চট্টগ্রামের তৎকালীন পুলিশ কমিশনার মীর্জা রকিবুল হুদা, কনস্টেবল বশির উদ্দিন ও আব্দুস সালাম।

পুলিশের গুলিতে নিহতরা হচ্ছেন

মো. হাসান মুরাদ, মহিউদ্দিন শামীম, এথলেবার্ট গোমেজ কিশোর, স্বপন কুমার বিশ্বাস, স্বপন চৌধুরী, পঙ্কজ বৈদ্য, বাহার উদ্দিন, চান্দ মিয়া, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডি কে চৌধুরী, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাশ, শাহাদাত, সাজ্জাদ হোসেন, আব্দুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হোসেন, বি কে দাশ, সমর দত্ত, হাসেম মিয়া ও মো. কাসেম।




এই বিভাগের আরো সংবাদ