1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
শিরোনাম :
‘এটাতো চিন্তাও করা যায় না মুজিববর্ষে ভারতের প্রতিনিধিত্বকে আমরা বাদ দেবো’ কারাবন্দি খালেদা জিয়ার এবারও জামিন হলো না রিমান্ডে মন্ত্রী,এমপি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের নাম পাপিয়ার মুখে যশোরে ছাত্রবাসে মিললো বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গুলি-বোমা দিল্লিতে সংঘর্ষের মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ প্রয়োজনে মুসলমানদের জন্য জীবন দিবো, মাথা নোয়াব না: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালয়েশিয়ান সিভিল সার্ভেন্টদের রাজনীতি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব মহিলালীগের নাজমা অপুকে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন কেনো এসেছো? ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেলে এক লাখ টাকা নয়, পুরো টাকাই ফেরত পাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শাস্তিমূলক বদলি




শিশু শিক্ষার্থীকে দিয়ে ময়লার বালতি পরিষ্কার করলেন সহকারী শিক্ষক

ষ্টার মেইল রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২০

পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার দক্ষিণ শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। টিফিনের সময় চতুর্থ শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে দিয়ে ময়লার বালতি (ডাস্টবিন) পরিষ্কার করিয়েছেন এক সহকারী শিক্ষক।

শনিবার দুপুরে টিফিনের সময় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী স্বর্ণ রানী (রোল নং-২) স্কুলের সিড়িতে বসে কালো রঙের (ডাস্টবিন) এক বড় বালতির ভেতরে হাত ঢুকিয়ে ময়লা ফেলে দেওয়ার পর সাবান দিয়ে পরিষ্কার করছে। আর এই ঘটনা সিড়ির পাশের দাঁড়িয়ে দেখছিলো বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।

এ সময় ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা দেখে ওই শিক্ষার্থী ওয়াশরুমে চলে যায়। পরে তার পিছু নিয়ে ওয়াশ রুমে গিয়ে দেখা যায় পানি দিয়ে বালতি পরিষ্কার করছে ওই শিক্ষার্থী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দুপুরের টিফিন খাওয়ার পর উচ্ছিষ্ঠ অংশ এবং বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা ওই বালতিতে ফেলেন। আবর্জনার স্তর পড়ে যাওয়ায় ওই শিক্ষার্থীকে বালতি পরিষ্কার করানো হচ্ছে।

কে তাকে এই কাজ করতে বলেছে জিজ্ঞেস করলে ওই শিক্ষার্থী বলে, ‘জহরুল স্যার ময়লার বালতি পরিষ্কার করতে বলেছেন।’ অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক।

এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষক জহুরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার ভুল হয়েছে। এমনটা আর হবে না।’

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশু শিক্ষার্থী দিয়ে কোনো শিক্ষক এমন কাজ করাতে পারেন না। বিষয়টি ওই শিশুর পরিবারের লোকজন দেখলে কষ্ট পাবে। বাচ্চাকে আর স্কুলেই পাঠাবে না। বিষয়টি যেহেতু জানলাম সেহেতু বিস্তারিত জেনে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কাজটি কোনো মতেই ঠিক হয়নি। বিষয়টি আমার জানা ছিল না।’ আপনিও তো দেখেছেন বিষয়টি এমন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে তিনি এ প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান।




এই বিভাগের আরো সংবাদ