1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
শিরোনাম :
‘এটাতো চিন্তাও করা যায় না মুজিববর্ষে ভারতের প্রতিনিধিত্বকে আমরা বাদ দেবো’ কারাবন্দি খালেদা জিয়ার এবারও জামিন হলো না রিমান্ডে মন্ত্রী,এমপি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের নাম পাপিয়ার মুখে যশোরে ছাত্রবাসে মিললো বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গুলি-বোমা দিল্লিতে সংঘর্ষের মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ প্রয়োজনে মুসলমানদের জন্য জীবন দিবো, মাথা নোয়াব না: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালয়েশিয়ান সিভিল সার্ভেন্টদের রাজনীতি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব মহিলালীগের নাজমা অপুকে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন কেনো এসেছো? ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেলে এক লাখ টাকা নয়, পুরো টাকাই ফেরত পাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শাস্তিমূলক বদলি




‘রোহিঙ্গা তরুণী’ খুশিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার

ষ্টার মেইল রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

স্টার মেইল, কক্সবাজার: গণমাধ্যমে প্রতিবেদন ও ভিডিও প্রকাশের পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া ‘রোহিঙ্গা কন্যা’ রহিমা আক্তার খুশিকে (২০) কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (সিবিআইউ) থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত আশ্রয় শিবিরে এই তরুণী ৩৪ হাজার রোহিঙ্গার সঙ্গে বৈধ শরণার্থী হিসেবে বসবাস করে আসছেন এবং ১৯৯২ সালে বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে ওই তরুণীকে নিয়ে একটি ভিডিও প্রচার হলে তিনি আলোচনায় আসেন। এরপরই গত ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল রহিমা আক্তার খুশিকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

জার্মানির আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলে প্রচারিত দেড় মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা যায় রোহিঙ্গা তরুণী রহিমা আকতার ওরফে রাহী খুশি উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে একটি এনজিওর কর্মী হিসেবে তার স্বদেশি রোহিঙ্গাদের সাক্ষাতকার নিচ্ছেন।

ভিডিওটিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯২ সালে খুশির পরিবার একইভাবে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল। সেখানে বলা হয়, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সন্তানরা বৈধভাবে বাংলাদেশের কোনো স্কুলে পড়তে পারে না। তাই রোহিঙ্গা পরিচয় লুকিয়ে কক্সবাজারের একটি স্কুলে ভর্তি হয় খুশি। রোহিঙ্গা পরিচয় লুকিয়ে ভর্তি হওয়া সেই স্কুলটি হলো কক্সবাজার শহরের বৈল্যাপাড়ার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি।

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি লায়ন মুজিবুর রহমান জানান, খুশি কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি থেকে এসএসসি ও কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।

কক্সবাজারের স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকা এবং সামাজিক মাধ্যমে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী রহিমা আক্তার খুশির জাতীয়তা ও নাগরিকত্ব নিয়ে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের এক জরুরি সভার সিদ্ধান্তক্রমে খুশির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ যাচাই-বাছাই করার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা এবং খুশির ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে স্থগিতের বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ভিসি আবুল কাসেম জানান, মিডিয়া রিপোর্টের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খুশিকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আলোকে ‘রোহিঙ্গা কন্যা’ খুশির বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।




এই বিভাগের আরো সংবাদ