1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার | Starmail24




মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার

ষ্টার মেইল রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০

মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূলহোতা আবদুস সালাম খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার বিভাগ। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বনশ্রী এলাকার জি ব্লকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির সাইবার পুলিশের বিশেষ পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসচক্রের অন্যতম সদস্য জসিম, সালামসহ অন্যান্য সদস্যদের অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান শুরু করেছে সাইবার পুলিশ। চক্রের অনেক সদস্যদের অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান আছে।

তিনি বলেন, অনুসন্ধান কার্যক্রম সমাপ্ত হলে প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হবে। দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।

সিআইডি সূত্র জানায়, প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত সালামের পরিবারের সাত সদস্য। ২০১৩ সাল থেকে এরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ছাপাখানা থেকে ফাঁস করেছে প্রশ্নপত্র। তারা হাতিয়ে নিয়েছে কয়েকশ কোটি টাকা। পারিবারিক এ সিন্ডিকেটের মাস্টারমাইন্ড ছাপাখানার মেশিনম্যান আবদুস সালাম খান ও তার খালাতো ভাই জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া মুন্নু।

সারা দেশের ৩৬টি মেডিকেল কলেজের মধ্যে অন্তত ১৫টিতে প্রতি বছরই দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে, যারা পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র হাতে পেয়েছিল। চক্রে একই পরিবারের অন্যরা হলো- জসিমের ভাতিজা পারভেজ খান, জসিমের ভগ্নিপতি জাকির হোসেন দীপু, জসিমের ভায়রা সামিউল জাফর, জসিমের স্ত্রী শারমিন শিল্পী ও জসিমের ভাগ্নে রবিন। এদের মধ্যে শুধু জসিমেরই ৪০ কোটি টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। সালামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার কাশিপুর গ্রামে। তার খালাতো ভাই জসিমের বাড়ি একই উপজেলার বানিয়ারা গ্রামে। অপর মাস্টারমাইন্ড জসিমকে ১৯ জুলাই রাজধানীর শাহআলী থানার এইচ-ব্লকের ১ নম্বর রোডের ৪৩ পৃথ্বী ভিলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই এলাকার এ-ব্লকের ১ নম্বর রোডের ২৯ নম্বর বাসা থেকে গ্রেপ্তার হয় জাকির হাসান দিপু। আর পারভেজ খানকে গ্রেপ্তার করা হয় মিরপুর-২ এর চ-ব্লকের ৯১/৯২ নম্বর বাড়ি থেকে। এ ঘটনায় পর দিন ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে অন্তত ১৫০-২০০ জনের বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় মামলা করে সিআইডি।

২০১৩ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে আসছে বলে স্বীকার করেছে তারা। এরপর গ্রেপ্তার হয় সালামের খালাতো বোন মীরা ও তার স্বামী।

পৃথক একটি অভিযোগে ২০১৬ সাল থেকে সাময়িক বরখাস্ত হয়ে আছে আবদুস সালাম খান। এরপরও নিজস্ব গড়ে তোলা বলয়ের মধ্য দিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে গেছে সে। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ওই প্রেসে সালামের চক্রের আরও কিছু লোক থাকতে পারে। যাদের মাধ্যমে সে প্রশ্ন বের করে আনত।

২০১৪ সালে মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার (মামলা নম্বর-১৬) অভিযুক্ত পলাতক আসামিও এই আবদুস সালাম।




এই বিভাগের আরো সংবাদ