1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
শিরোনাম :
‘এটাতো চিন্তাও করা যায় না মুজিববর্ষে ভারতের প্রতিনিধিত্বকে আমরা বাদ দেবো’ কারাবন্দি খালেদা জিয়ার এবারও জামিন হলো না রিমান্ডে মন্ত্রী,এমপি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের নাম পাপিয়ার মুখে যশোরে ছাত্রবাসে মিললো বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গুলি-বোমা দিল্লিতে সংঘর্ষের মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ প্রয়োজনে মুসলমানদের জন্য জীবন দিবো, মাথা নোয়াব না: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালয়েশিয়ান সিভিল সার্ভেন্টদের রাজনীতি থেকে দূরে থাকার নির্দেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব মহিলালীগের নাজমা অপুকে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন কেনো এসেছো? ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেলে এক লাখ টাকা নয়, পুরো টাকাই ফেরত পাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শাস্তিমূলক বদলি




মার্চের মধ্যে ১৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী বেতন-ভাতা পাচ্ছেন

ষ্টার মেইল রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সূত্র মতে, প্রতিষ্ঠানের যাচাই-বাছাই শেষ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি। এখন এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বেতন-ভাতা ছাড় করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি চলতি মাসের মধ্যে জনবল যাচাইয়ে কাজ শেষ করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অর্থাৎ আসছে মার্চ মাসের মধ্যেই নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পাবেন।

চলতি মাসের (ফেব্রুয়ারি) মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের জনবল যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ করতে চায় মন্ত্রণালয়। নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া ২ হাজার ৭৩৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা আগামী মার্চের মধ্যে ছাড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জনবল যাচাইয়ে একটি কমিটিও করা হয়েছে।

এদিকে নতুন তালিকাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও-সুবিধা চলতি অর্থবছরে না পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। প্রায় সাড়ে ৩ মাস আগে ২৭৩৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু ওইসব প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষ না হওয়ার এ শঙ্কা দেখা দেয়। এখন কমিটি করার মাধ্যমে সে সংশয় দূর হলো। কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত গেজেট জারি করা হবে।এরপর প্রতিষ্ঠানের কোড সৃষ্টি এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হবে। এসব প্রক্রিয়া দ্রম্নত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

কমিটির সদস্য সচিব মো. এনামুল হক হাওলাদার বলেন, ডিজি স্যার অফিসের অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় গতকালের সভাটি হয়নি। এ সপ্তাহে সভা করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।




এই বিভাগের আরো সংবাদ