1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় ৪০ হাজার করোনায় আক্রান্তের সম্ভবনা “বিদেশি শ্রমিক যদি মালয়েশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়, তাকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হবে” মাস্কের চেয়ে হিজাব বেশি প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা: ট্রাম্প চলমান অঘোষিত লক ডাউনের মাঝেই পথে পথে ‘ভয়ঙ্কর’ চিত্র করোনা ভাইরাসে চীনে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ মারা গেছে বলে দাবি মার্কিন গণমাধ্যমের অসহায় মানুষের পাশে কাউন্সিলর হামিদা নারী কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নাগরিকের ফ্লাটের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ মালয়েশিয়ায় খাদ্য সংকটে থাকা বাংলাদেশীদের জরুরী চাহিদা ফর্ম পূরণ করতে দূতাবাসের আহ্ববান করোনা সঙ্কটে অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে ছাত্রলীগ নেতা আরিফ আলোকিত বাংলাদেশ ছাপাও বন্ধ




পরকীয়ায় বিচ্ছেদ, সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগ

স্টার মেইল, ঢাকা
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০

পাবনার পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম শিমুলের ভাগ্নি তানজিলা হক উর্মির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছেন তার স্বামী শেখ হাবিবুর রহমান। শনিবার (২১ মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলননে তিনি এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্য বলা হয়, ২০১০ সালে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে স্বামীর বাসা থেকে ২৭ লাখ উর্মি তার মামা শিমুলের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক একাউন্টে জমা রাখেন। ২০১১ সালে ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট ক্রয় করার নামে করে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাত করেছে। এর সঙ্গে পাবনার পুলিশ সুপার সরাসরি জড়িত। তার প্রশ্রয়ে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত শেখ হাবিবুর রহমান।

২০০৪ সালে সৌদি আরবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ২০০৭ সালে দেশে ফিরে হাবিবুর রহমান পাবনার পুলিশ সুপারের ভাগ্নি তানজিল হক উর্মিকে বিয়ে করেন। এ সময় ১৭০ ভরি স্বর্ণের গহনা নেওয়া হয়। বিয়ের একমাস পরই হাবিব বিদেশে চলে যান। এরপর স্ত্রী উর্মির সঙ্গে হাবিবুরের পরিবারের সদস্যদের দ্বন্দ্ব লাগে। ২০০৮ সালে সৌদি আরব স্বামীর কাছে পাড়ি জমায় উর্মি। সেখানে দিয়ে বেপরোয়া ও উৎশৃঙ্খলা আচরণ করেন। কিছুদিন পর স্বামী হাবিবুর রহমান উর্মিকে দেশে পাঠিয়ে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য বলা হয়, আত্মসাতকৃত টাকা ফিরত দেওয়া নাম করে শাহাজালাল আন্তজাতিক বিমানবন্দরে পাসপোর্ট আটকে দেন। ব্যাপক টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হয়।

২০১২ সালে হাবিবুর রহমানকে নানাভাবে ভয় ভীতি ও হুমকি ধামকি দেওয়া হয়। তিন সন্তানের জননী হন উর্মি। এরপরেও নানাভাবে নির্যাতন করে স্বামী হাবিবুর রহমানকে। এ নিয়ে সামাজিকভাবে গ্রাম্য আদালতে বিচার করা হয়। এর মধ্যে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন উর্মি। যা বাসার সিসি ক্যামেরা ফুটেজে ধরা পড়ে। এরপর উর্মি ক্যামেরাগুলো ভেঙ্গে ফেলেন। ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে উর্মিকে তালাক দেন হাবিব। এর কিছুদিন পরেই পাবনার পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জের পুলিশ পাঠিয়ে হাবিবের ব্যবহারিত প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-২৯-৩২০৪) থানায় নিয়ে যায়। এই সব কিছু আত্মসাত করেন স্ত্রী উর্মি। এমকি ইমাদ পরিবহন (প্রা.) লিমিটেডের বিভিন্ন রুটে বিভিন্ন সময়ে এস.পি রফিকুল ইসলাম শিমুল ক্ষমতার অপব্যবহার করে ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট ব্যবহার করে হয়রানি করছেন।

সন্তানদের লালন-পালনের জন্য ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ হিসাব নং-৫৪১৬ নাম্বারে মাসে ৬০ হাজার টাকা প্রদান করেন হাবিব। ২০২০ সালের প্রথম দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৬ ঢাকা মামলা নং-২(৩)/২০ তানজিলা হক উর্মি বাদী হয়ে স্বামী শেখ হাবিবুর রহমানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এভাবে নানা মিথ্যা মামলা জালে ফেলছে স্বামী হাবিবকে।




এই বিভাগের আরো সংবাদ