1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : Md Moniruzzaman : Md Moniruzzaman
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail




নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে ২ বাংলাদেশিসহ নিহত ৪০

ষ্টার মেইল রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০১৯

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে আল নুর মসজিদসহ দুটি মসজিদে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশিসহ ৪০ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে মসজিদে নামাজ শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে একজন বন্দুকধারী সিজদায় থাকা মুসল্লিদের ওপর গুলি ছুড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দুই বাংলাদেশি নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম সুফিউর রহমান সাংবাদিকদের জানান, আমরা এখন পর্যন্ত দুজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে বলে শুনেছি। তবে তাদের নাম–পরিচয় সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত করে কিছু পাওয়া যায়নি। এছাড়া গুলিবর্ষণের ঘটনায় আহত দুই বাংলাদেশি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আরও দুজন বাংলাদেশি নিখোঁজ আছেন বলে জানতে পেরেছি।

হাইকমিশনার জানান, হতাহত ব্যক্তিদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিউজিল্যান্ড সরকারের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তাদের নাম পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর গণমাধ্যমে জানানো হবে। তিনি বলেন, দুটি জায়গায় হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং কয়েকটি হাসপাতালে আহতদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাই বিস্তারিত জানাতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগবে বলে মনে করছি।

জানা গেছে, নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের কোনো দূতাবাস নেই। অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে সেখানকার দূতাবাসের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এদিকে নিউজিল্যান্ডের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪০ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও আহত অনেক ব্যক্তিকে স্থানীয় কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। এদের একজন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। আর হামলার মুল নায়ক ২৮ বছর বয়সী এক যুবক। তার নাম ব্রেটন টারান্ট।

অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেয়া ওই ব্যক্তি এই নামেই নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট খুলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। তবে পুলিশের ধারণা, এটি তার আসল নাম নয়।

হামলার পর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে গোটা এলাকা। মসজিদের চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। এলাকার বাসিন্দাদের ঘরে থাকারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ওই শহরের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে আল নুর মসজিদে এখনও বহু মানুষ আটকা পড়ে আছেন। তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানতে না পেরে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন তাদের পরিবারের লোকজন।

তাদের শান্ত করার কোনো চেষ্টাই করছে না সরকার। উল্টো পুলিশ কমিশনার মাইক বুশ মুসলিমদের কোনো মসজিদে না যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিত নিউজিল্যান্ডের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।




এই বিভাগের আরো সংবাদ