22/11/2019 , ঢাকা

ঝিনাইদহে আরো এক বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করলো বিএসএফ


প্রকাশিত: 22/11/2019 11:13:04| আপডেট:

স্টার মেইল, ঝিনাইদহ: পাঁচদিনের ব্যবধানে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার লড়াইঘাট সীমান্তে এক বাংলাদেশি গরু ব্যাবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ। শুক্রবার ভোরে ভারতের নদীয়া জেলার হাঁসখালী থানার শিলগেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।

বিজিবির ঝিনাইদহের খালিশপুর-৫৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল আহসান জানান, সুমন গরু আনতে ভারতে যায়। শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে গরু নিয়ে ফেরার পথে ভারতের তিনশ গজ ভেতরে পাখিউড়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহল দলের সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। এতে সুমন ঘটনাস্থলে নিহত হয়।

সুমনের লাশ ফেরত আনার বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা চেষ্টা করা হচ্ছে বলে এ বিজিবি কর্মকর্তা জানান।

দুপুরে গণমাধ্যমে প্রেরিত বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধীনস্ত লড়াইঘাট বিওপির বিপরীতে বিএসএফের পাখিউড়া ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৬০/১৩৩-১৩৪-আর পিলার থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে শিলগেট নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাংলাদেশি নাগরিকের লাশ পাখিউড়া বিএসএফ ক্যাম্প এবং হাসখালী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে বলে বিজিবি জানায়।

শ্যামকুড় ইউনিয়নের ৫ রম্বর ওয়ার্ড মেম্বর লিয়াকত আলী বলেন, সুমন আরও কয়েকজনের সঙ্গে গরু আনতে ভারতে গিয়েছিল। ফেরার পথে বিএসএফ তাকে গুলি করে মেরে ফেলে। তার লাশ ভারতীয় এলাকায় পড়ে ছিল। পরে হাঁসখালী থানার পুলিশ তার লাশ নিয়ে যায় বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ৩ নভেম্বর মহেশপুর সীমান্তের পলিয়ানপুরের বিপরীতে বিএসএফের গুলিতে আব্দুর রহিম (৫০) নামে এক গরুর রাখাল নিহত হন।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে শাকসবজি খাচ্ছে গরু

গরুকে কেন শাকসবজি খাওয়াচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় ব্যবসায়ী মিল্টন হোসেন বলেন

ঝিনাইদহে তৃতীয় দিনের মতো বাস চলাচল বন্ধ

বুধবার সকাল থেকে ঝিনাইদহ সকাল থেকে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, আরাপপুর, বাইপাস মোড় এলাকায় বাস ও যানবাহণের জন্য যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

ঝিনাইদহে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার অভিযােগ

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেছে যৌতুকের দাবিতে প্রায়ই তাকে নির্যাতন করতো স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন।

মন্তব্য লিখুন...

Top