1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. mahir1309@gmail.com : star mail24 : star mail24
  3. sayeed.fx@gmail.com : sayeed : Md Sayeed
  4. newsstarmail@gmail.com : Star Mail : Star Mail
ঝিনাইদহের মানুষের মুক্তির ইতিহাস | Starmail24




ঝিনাইদহের মানুষের মুক্তির ইতিহাস

ষ্টার মেইল রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

৬  ডিসেম্বর, ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত দিবস। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ শেষে একাত্তরের এই দিনে পাক হানাদার ও এদেশে তাদের দোসরদের হটিয়ে ঝিনাইদহকে শত্রুমুক্ত করে মুক্তিকামী মানুষ। মুক্তির আনন্দে সেদিন রাস্তায় নেমে আসে নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের মানুষ। উল্লাসে আর আনন্দে তারা ফেটে পড়ে। অসহযোগ প্রস্তুতিপর্ব, প্রতিরোধ, গেরিলা আক্রমণ ও শেষে সম্মুখ সমরে বিজয় অর্জন-১৯৭১ সালের এই চারটি পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝিনাইদহের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলায় সর্বমোট ২৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এখানে সম্মুখ যুদ্ধসহ বেশ কয়েকটি গেরিলা যুদ্ধ ও অভিযান চালানো হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সালে ঝিনাইদহ পাকহানাদারদের দখলে যায়। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও বহু মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ৬ ডিসেম্বর ঝিনাইদহের মাটি থেকে পাকহানাদার বাহিনী বিতাড়িত হয়। যশোর ক্যান্টনমেন্টে জিওসি সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক আক্রমণ চালিয়েছিল ঝিনাইদহে। শহরের দোকানপাট ভস্মীভূত হয়েছিল, ধুলিসাৎ হয়েছিল বাড়িঘর। সংঘঠিত হয়েছিল একাধিক যুদ্ধ।

পাকবাহিনীকে প্রতিরোধ করতে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠন, সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। ঝিনাইদহের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা অসহযোগ আন্দোলন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে সর্বস্তরের জনগণকে সংঘবদ্ধ ও সম্পৃক্ত করে। ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় পাকবাহিনীর আক্রমণের খবরে ঝিনাইদহের নেতৃবৃন্দ মহাকুমা পুলিশ সুপার মাহাবুব উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এ সময় থানার অস্ত্রগার খুলে দেওয়া হয়। পুলিশ-আনসারসহ জনতার মাঝে ৪ শতাধিক রাইফেলস ও অন্যান্য অস্ত্র দিয়ে ট্রেনিং করানো হয়। আহ্বান জানানো হয় মুক্তি সংগ্রামের।

২৮ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ও ব্যারিস্টার আহমেদুল ইসলাম ছদ্মবেশ নিয়ে ঝিনাইদহে রাতযাপন করেন। পরদিন মহকুমা পুলিশ প্রধান মাহাবুব উদ্দিনের সহায়তায় মেহেরপুর সীমান্ত হয়ে দেশত্যাগ করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম সম্মুখ সমর ঝিনাইদহের বিষয়খালীর যুদ্ধ। ১ এপ্রিল ১৯৭১ সাল, যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে ভারী কামান ও মেশিনগানে সজ্জিত হয়ে পাকবাহিনী বারোবাজার ও কালীগঞ্জ দখল করে এগিয়ে আসে ঝিনাইদহ শহরের দিকে। পাকবাহিনীকে বাধা দেয়া হলো বিষয়খালীর কাছে বেগবতী নদীর দক্ষিণ তীরে। বেলা ১টার দিকে উভয় পক্ষে যুদ্ধ হয় সামনা সামনি। এ সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন যশোর সেনানিবাস ফেরত ইপিআর ও বেঙ্গল রেজিমেন্টের জোয়ানরা, আনসার বাহিনীর সদস্য এবং মুক্তিপাগল হাজার হাজার ছাত্র জনতা। যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এসডিপিও মাহবুব উদ্দিন। ভারী অস্ত্র বা যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাদের ছিলো না, কিন্তু অসীম সাহসের কাছে হানাদার বাহিনীর কামানের গোলা ব্যর্থ হয়ে যায়। তারা বাধ্য হয়ে পিছু হঁটে ফিরে যায় ক্যান্টনমেন্টে। ঝিনাইদহ থাকে মুক্ত এলাকা। বিষয়খালীর যুদ্ধে শহীদ হলেন- সদর উদ্দিন, দুখু মাহমুদ, আব্দুল কুদ্দুস, খলিলুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, নজির উদ্দিন, এনামূল ও কাজী রফিউল ইসলাম। ব্রিজের পাশেই তাদের গণকবর দেওয়া হয়।

১ থেকে ১৬ এপ্রিল বিষয়খালী যুদ্ধে ৩৫ জন শহীদ হন। ঝিনাইদহের অমিত তেজী দামাল তরুণদল বাংলাদেশের ইতিহাসে যুদ্ধ বিজয়ের গৌরবে প্রথম মাইল ফলক স্থাপন করলো এ বিষয়খালীর যুদ্ধে। এ যুদ্ধের কাহিনী প্রথম বিদেশী রেডিও বিবিসি, ফরাসী বার্তা সংস্থা, অস্ট্রেলীয় রেডিও এবিসিসহ বিশ্বব্যাপি প্রচার মাধ্যমগুলোতে গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়।

ঝিনাইদহের বিষয়খালী যুদ্ধ জয়ের পর সবার নজর পড়ে কুষ্টিয়ার দিকে। চারপাশ থেকে হাজার হাজার মুক্তিপাগল জনতা কুষ্টিয়াকে ঘিরে ফেলতে থাকে। কুষ্টিয়ায় অবস্থানরত পাকবাহিনী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ঝিনাইদহ থেকে এসডিপিও মাহবুব উদ্দিনের নেতৃত্বে দু শতাধিক তরুণ কুষ্টিয়ার যুদ্ধে অংশ নেয়। এদের কয়েকজন হলো- রহমত আলী মন্টু, কাজী আশরাফুল আলম, আনসার কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, নায়েব আলী সর্দার, ইকবাল খান, আবেদ আলী, মিঞা আব্দুর রাজ্জাক, মনি মিয়া, দাউদ আলী প্রমুখ। ৩ এপ্রিল ভোর ৪টায় যুদ্ধ শুরু হয় ৪ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত একটানা যুদ্ধ চলে। শহরের সবখানেই খণ্ড-বিখণ্ড বিচ্ছিন্ন যুদ্ধ হলেও যুদ্ধ মূলত হয় কুষ্টিয়া জেলা স্কুলের পূর্বে ওয়্যারলেস ভবনকে ঘিরে। তীব্র আক্রমণে টিকতে না পেরে সন্ধ্যার অন্ধকারে পাক সেনারা পালাতে শুরু করে। ৩টি জিপে করে প্রায় ৩০ জন পাকসেনা কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়ক ধরে এগিয়ে আসে ঝিনাইদহের দিকে। শৈলকুপা থানার গাড়াগঞ্জে কুমার নদের ওপর ব্রিজের দক্ষিণপার্শ্বে গভীর খাদ কেটে চাটাই বিছিয়ে কালো আলকাতরার আস্তরণ দিয়ে রাখা হয়েছিলো। যাতে পাক সেনারা বিষয়টি বুঝতে না পারে। দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসা ৩টি জীপের একটি খাদে পড়ে যায়, অপর দুটি ব্রিজের ওপর ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যায়। ব্রিজের চারপাশে পজিশন নেয় মুক্তিপাগল তরুণরা। শুরু করে গুলিবর্ষণ, চারিদিক থেকে হাজার হাজার মানুষ ‘জয় বাংলা’ ধ্বনি দিয়ে স্বতঃস্ফুর্তভাবে এগিয়ে আসে ব্রিজের দিকে। হতবিহ্বল পাক সেনারা ভীত হয়ে রাতের আঁধারে যে যে দিকে পারে পালাতে চেষ্টা করে। পরদিন আশপাশের গ্রামগুলোতে তারা ধরা পড়ে এবং জনতার হাতে নিহত হয়।

এখানে ধরা পড়েন লে. আতাউল্যা শাহ। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশায় তাকে হত্যা না করে ৬ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইপিআর মেজর ওসমানের কাছে পাঠানো হয়। যুদ্ধের এ পর্যায়ে সমন্বয় সাধনের জন্য ঢাকা থেকে আসেন আওয়ামী লীগ নেতা এমএনএ কামরুজ্জামান। এরপর পাকবাহিনী ঝিনাইদহের ওপর চালায় সাঁড়াশি আক্রমণ।

১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঝিনাইদহ থাকে মুক্ত এলাকা। তবে অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। ১৬ এপ্রিল ১৯৭১ পাকবাহিনীর সাড়াশি আক্রমণে ঝিনাইদহের পতন ঘটে। মুক্তিসেনারা মহেশপুর, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে আবারও ঝিনাইদহে ফিরে আসে।

পাকবাহিনী ঝিনাইদহ দখল নেওয়ার পর পাক শাসকদের তৈরি শান্তি কমিটি, আলবদর ও আলশামসে যোগ দেয় সুবিধাবাদীরা। এ সময় ৪ আগস্ট আলফাপুরের যুদ্ধ, ১৪ অক্টোবর আবাইপুর যুদ্ধ, ২৭ নভেম্বর কামান্নার ট্রাজেডিসহ বেশ কয়েকটি গেরিলাযুদ্ধ সংগঠিত হয়। ঝিনাইদহের কামান্নায় ২৭ নভেম্বর পাকহানারা রাজাকারদের সহযোগিতায় অতর্কিত আক্রমণে মুক্তিযোদ্ধাদের নেতা নজরুল ইসলামসহ ২৭ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়। ১৪ অক্টোবর আবাইপুরের যুদ্ধে ৪১ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এদিকে আলফাপুরের যুদ্ধে হানাদার বাহিনীর ২ ক্যাপ্টেন, ৩ সিপাহিসহ ৪ রাজাকার নিহত হয়।

১৯৭১ সালের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের দিকে গেরিলাযুদ্ধ চরম আকার ধারণ করে। অপরদিকে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনী যৌথভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভেতরে ঢুকে পড়ে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন ঝিনাইদহ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর জেলা কমান্ডার আমির হোসেন মালিতা স্টারমেইল টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, মিত্র বাহিনী ঝিনাইদহের হলিধানী বাজারে খবর নিতে আসে। মিত্র বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন কর্নেল বাহেলে ও লে. কর্নেল পিকে দাস গুপ্ত। ঝিনাইদহের ইউনিট কমান্ডার হিসেবে তিনিসহ ইউনিয়ন কমান্ডার রজব আলী, বাকুয়া গ্রামের মরহুম মনিরুল ইসলাম, নারিকেল বাড়িয়ার বুলু মিয়া, গাবলা গ্রামের মকছেদ আলীসহ অনেকে মিত্র বাহিনীকে স্বাগত জানায়। ৫ ডিসেম্বর বিকালে মুক্তি ও মিত্রবাহিনী ঝিনাইদহ শহরের চারি পাশে অবস্থান নেন।

গোলাবর্ষণ করতে থাকে পাক সেনা অবস্থানের উপর। ৬ ডিসেম্বর সকালে পাকসেনারা ঘাঁটি ছেড়ে মাগুরার দিকে পালিয়ে যায়। অনেক পাক সেনা বন্দী হয়। ঝিনাইদহ হানাদার মুক্ত হয়। হাজার হাজার মানুষ ঘর থেকে রাস্তায় নেমে আনন্দ উল্লাস করতে থাকে।

৬ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ জেলা শহর শত্রু মুক্ত হয়। এর আগে ৩ ডিসেম্বর মহেশপুর, ৪ ডিসেম্বর কোটচাঁদপুর, ৫ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ এবং সর্বশেষ ১১ ডিসেম্বর শৈলকুপা উপজেলা শত্রুমুক্ত হয়।

ঝিনাইদহ মুক্ত হওয়ার সাথে সাথে বাড়ি ঘর থেকে দলে দলে সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে উল্লাস করতে থাকে। ফুল দিয়ে তারা মুক্তিসেনাদের বরণ করে নেয়। ৬ ডিসেম্বরের এ দিনটি ঝিনাইদহবাসীর কাছে চীর স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জেলায় শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনেককে বিভিন্ন স্থানে গণকবর দেওয়া হয়। এদের মধ্যে অনেকের নাম ঠিকানা আজও মেলেনি। এ ছাড়া ঝিনাইদহের অন্যতম আবাইপুর যুদ্ধের একাধিক গণকবর আজও অরক্ষিত।

ঝিনাইদহের গর্ব সিপাহী শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান বাংলার ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে রয়েছেন। জেলায় খেতাবপ্রাপ্ত আরো একজন মুক্তিযোদ্ধা হলেন বীরপ্রতিক সিরাজুল ইসলাম।

ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মনোয়ার হোসেন মালিথা স্টারমেইল টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবমণ্ডিত ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের চেতনায় জাগ্রত থাকুক এবং মুক্তিকামী শহীদদের পবিত্র রক্ত নিয়ে কেউ যেন রাজনীতির মিথ্যা চর্চা না করেন।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা: ঝিনাইদহ মুক্তিযোদ্ধা পার্কে নির্মিত স্মৃতি সৌধের ফলকে লেখা রয়েছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম। এরা হচ্ছেন- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান, বীর প্রতীক সিরাজুল ইসলাম, ফুল মিয়া, তাইজ উদ্দিন আহমেদ, খলিলুর রহমান, কওসার আলি জোয়ার্দ্দার, আব্দুর রশিদ, কামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আলি, আবুল হাশেম, সদর উদ্দিন, আকবর মোল্লা, দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, খায়রুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, আব্দুল বারিক শেখ, সোবহান শেখ, সৈয়দ আলি শেখ, হামেদ আলি শেখ, বাবর আলি মালিতা, মাহতাব মল্লিক, হারেজ উদ্দিন, নজির উদ্দিন বিশ্বাস, লতাফত হোসেন জোয়ার্দ্দার, সরাফত হোসেন, বশির উদ্দিন, আবুল কাশেম, মীর রজব আলি, আমজাদ আলি, আব্দুল গফুর, আব্দুল করিম, তাইজ উদ্দিন, বাবর আলি শেখ, আনসার উদ্দিন বিশ্বাস, গোলাম মোস্তফা, আব্দুল জলিল, মোহন কুমার দাস, আব্দুল কুদ্দুস, আব্দুল মালেক, শরিফুল ইসলাম, দাউদ আলি জোয়ার্দ্দার, গোলাম হায়দার, জাহাঙ্গীর আলম, আতর আলি মীর, আজিজ উল্লা, আব্দুল মালেক, জাকির হোসেন, আফসার উদ্দিন বিশ্বাস, ওসমান আলি লস্কর, আবুল কাশেম, মহসিন আলি, মহর আলি মিয়া, সিপাহি বশির উদ্দিন, সিপাহি সোহরাব হোসেন, সিপাহি আফসার উদ্দিন, খোন্দকার আমির হোসেন, শেখ আবুল ফজল, তমিজ উদ্দিন, আবুল হোসেন, আলি আহম্মদ, তবদিল হোসেন মোল্লা, সানাউর রহমান, আইয়ুব হোসেন শেখ, রওশান আলি বিশ্বাস, সেকান্দর আলি, শামসুল হক, মফিজুর রহমান, বাচ্চু মিয়া শাহাজাহান, তোফাজ্জল হোসেন, ময়ন উদ্দিন, আব্দুল হাই, ইসরাইল হোসেন, শহিদুল ইসলাম, আব্দুল বকুল বিশ্বাস, মকসেদ আলি, নুরুদ্দিন বিশ্বাস, আদিল উদ্দিন, লুত্ফর রহমান, আবু তালেব, গোলাম কুদ্দুস, আলিম উদ্দিন মিয়া, আবুল হোসেন মন্ডল, শরিফ মোঃ আব্দুল আলিম, ইউসুফ আলি মিয়া, দিদার আলি, সৈয়দ আলি, মহব্বত হোসেন, শামসুল আলম খান, শমসের আলি, আব্দুল খালেক, মাছিম বিশ্বাস, দুধ মল্লিক, নিরঞ্জন কুমার সাহা, তফেল জোয়ার্দ্দার, রওশন আলি মিয়া, কুবাদ আলি, চেতন আলি মন্ডল, শাহাজাহান মন্ডল, ইকবাল হাসান খান, আবু জাফর, আলিম উদ্দিন খান, রফিকুল ইসলাম, কুতুব উদ্দিন, শাহ আহমেদ, মোঃ আলি, মোছাক মন্ডল, আলিম উদ্দিন, লাল চাঁদ খান, আবুল কাশেম, খোন্দকার নুরুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, জামাত আলি, আবুল হোসেন, গোলাম মুহম্মদ ও কামরুল হক। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এ তালিকার বাইরেও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আছেন।

জেলায় মাত্র ৩ টি উপজেলায় স্থাপন করা হয় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ। পরিচর্যা আর সংস্কারের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ঝিনাইদহের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভগুলো। জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি স্থাপনাগুলোর সংস্কারের।

 




এই বিভাগের আরো সংবাদ