23/10/2019 , ঢাকা

গ্রেফতার এবং তার স্বচ্ছতা


প্রকাশিত: 23/10/2019 19:34:09| আপডেট:

তাহেরা বেগম জলি: আমরাও হয়েছিলাম কারাবন্দি। ঝিনেদা মায়ের বাসা থেকে প্রথম গ্রেফতার হই। আমাকে সেদিন পুলিশ বাহিনী মাঝরাতেই গ্রেফতার করতে পারতো। না সেদিন তারা তা করেনি। আমি যেন পালিয়ে যেতে না পারি, তার জন্য আমাকে গ্রেফতারের দুইঘন্টা আগে থেকেই বাড়ির চারপাশে বসিয়েছিলো সতর্ক পাহারা। তারা ছিলো দিনের আলোর অপেক্ষায়।

আমাকে গ্রেফতারে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঝিনেদা মহকুমার এসডিপিও জনাব আমানুল্লাহ্ সাহেব। ঝিনেদা থানার মধ্যে বসে তাঁর সঙ্গে আমার কথা বলার সুযোগ হয়েছিলো। আমি কৌতুহল বশত জানতে চেয়েছিলাম, আমাকে তো সকাল হওয়ার আগেই এ্যারেস্ট করতে পারতেন। বাড়ি ঘিরে রেখে বসে ছিলেন কেন? তিনি দিয়েছিলেন একটা অসাধারণ উত্তর।

“সম্ভব হলে সব সময়ই নিয়ম স্বচছতার মধ্য দিয়ে গ্রেফতার করা। মেয়েদের ক্ষেত্রে তো আরো সতর্ক হওয়া উচিৎ।”


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে বাঁচাতে গিয়ে ওসি বরখাস্ত

চলতি মাসের ১০ তারিখে ওসি মিজানুর রহমান খান ঝিনাইদহ ত্যাগ করেছেন বলে জানান এসপি।

ঝিনাইদহে ছাত্রলীগ নেতা নিখোঁজ

শহরে যাওয়ার কথা বলে সোহেল বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ রয়েছে।

ঝিনাইদহে সড়কে ঝরলো তিন নারীর প্রাণ

চালকের আসনে বসা ট্রাকের সহযোগী সাগরকে এবং ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। তবে চালক পালিয়ে গেছে।

মন্তব্য লিখুন...

Top