16/11/2019 , ঢাকা

অপরাজিতা চা


প্রকাশিত: 16/11/2019 00:18:12| আপডেট:

স্টার মেইল ডেস্ক: রঙ দিয়ে চায়ের নাম রয়েছে অনেক। লাল চা, গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি কত কত নাম। তবে স্বাস্থ্যগুণের দিক থেকে সব চায়ের ওপরেই আছে নীল রঙের চা। নীল রঙের চা কীভাবে বানানো যায় সেটি হয়তো জানা নেই অনেকেরই। নীল রঙের চা বানাতে প্রয়োজন অপরাজিতা ফুলের। চলুন জেনে নেওয়া যাক নীল রঙের অপরাজিতা ফুলের চা বানানোর কৌশল।

যা যা লাগবে :

অপরাজিতা ফুল – ৫ থেকে ৬টি (শুকনো)
পানি – ২ কাপ
মধু – ২ চা চামচ
লেবুর রস – ১ চা চামচ
পুদিনা পাতা – প্রয়োজন মতো

যেভাবে বানাবেন :

একটি পাত্রে পানি নিয়ে তা চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিন ৬ থেকে ৭ মিনিট। পানি ফুটতে শুরু করলে শুকনো অপরাজিতা ফুলগুলো ছেড়ে দিন। ধীরে ধীরে পানির রঙ নীল হয়ে আসবে। এবার এতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে দিন। চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন কাপে। এবার এর সাথে যোগ করুন ২ চা চামচ মধু। ব্যস তৈরি হয়ে গেল ভিন্ন রকম একটি চা। চায়ের রঙ পাল্টাতে চাইলে এর সাথে যোগ করুন লেবুর রস। এতে করে চায়ের রঙ খানিকটা গোলাপি হয়ে উঠবে যা চায়ে নিয়ে আসবে ভিন্ন মাত্রা।

ভিন্ন স্বাদের এই চা স্বাস্থ্য গুণেও বেশ ভালো। তবে যারা গ্রিন টি পান করে অভ্যস্ত তাদের কাছে অপরাজিতা চা বেশি ভালো লাগবে।

সম্প্রতি এই নীল রঙের অপরাজিতা চা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ছাত্র কেন্দ্রে (টিএসসি) কণা টি স্টলে (সাহাবুদ্দিন ‌ মামার দোকান) চা বানানোর পর থেকেই এই আলোড়নের সৃষ্টি হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন অপরাজিতা ফুল বা অপরাজিতা ফুলের চায়ের বিষয়টি নিয়ে।

এর ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাস্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক গ্রুপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রুপে সবচেয়ে বেশি পোস্ট পড়েছে এই অপরাজিতার। শুধু অপরাজিতা চা ও অপরাজিতা ফুলের পোস্ট দিয়ে থেমে থাকেনি শিক্ষার্থীরা। অপরাজিতা ফুলের রঙের মশারি, টেবিল, ফ্যান, ভাতের প্লেট যাই পাচ্ছে অপরাজিতার ফুলের কালার হলেই তার সাথে মিল রেখে ফেসবুকে দিচ্ছে স্ট্যাটাস। তবে স্ট্যাটাস দেখে অনেকের পোষ্টের কমেন্টে বিরক্তির ছাপ লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে অপরাজিতা ফুলের ও চায়ের ফেসবুক পোস্ট এপ্রুভ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের এডমিনের সদস্যবৃন্দ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের এডমিন আজহারুল ইসলাম রায়হান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের এক পোস্টে লিখেছেন, অপরাজিতার পোস্ট এপ্রুভ করে আমরা ক্লান্ত। আপনারা এইবার অপরাজিতাকে মুক্তি দিন।

আরেক ছাত্র আবদুর রহমান লিখেছেন, পরাণের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয় শিক্ষার্থী ভাই ও বোইনেরা, এইবার আপনারা একটু থামেন,অনেক হইছে। আপনাগো হাতে ধরি “অপরাজিতা” ইস্যু নিয়া আর পোস্ট দিয়েন না। এইসব পোস্ট দেইখা এখন আমরা ক্লান্ত। একটা ইস্যু পাইলেই আমরা ওই ইস্যুরে টিস্যু বানাইয়া ফালাই! এখন নতুন কোন ইস্যু বাইর করেন। এক জিনিস বেশি দিন ভাল লাগে না।

তবে ফেসবুক পোস্ট ভালো মন্দ যাই লাগুক না কেন, টিএসসিতে শাহাবুদ্দিন মামার দোকানে ভালোই চলছে অপরাজিতার চা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপরাজিতার স্ট্যাটাস দেখে দূরদূরান্ত থেকে অপরাজিতার চা খেতে ভিড় জমাচ্ছে অনেক মানুষ। তবে চা খেয়ে অনেকেই করেছেন ইতিবাচক নেতিবাচক সমালোচনা।

ইতিবাচক নেতিবাচক যাইহোক অপরাজিতার চা বিক্রি করে লাভবান কণা টি স্টল। প্রতি কাপ চা বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। এ বিষয়ে কণা টি স্টলের মালিক সাহাবুদ্দিন বলেন, অপরাজিতা চা ভালই চলছে। প্রতিদিন নিত্য নতুন মানুষ এখানে চা খেতে আসছে।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে ১১০ বছরের বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

এলাকাবাসী বলছেন, ছবিরন নেছার ৭ ছেলে মেয়ে। মৃত্যুর আগের দিনেও তিনি স্বাভাবিকভাবে পারিবারিক কাজকর্ম ও ঘুরে ফিরে বেড়িয়েছেন।

ঝিনাইদহে মন্দিরে চুরি

চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ঝিনাইদহে।

৭শ টাকায় খাসির মাংস খেতে পারেন ২৭০ টাকায় পেঁয়াজ খেতে কষ্ট কিসের!

ঝিনাইদহের বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকা দরে।

মন্তব্য লিখুন...

Top