16/09/2019 , ঢাকা

দিনভর ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতারের গুঞ্জন


প্রকাশিত: 16/09/2019 22:55:14| আপডেট:

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরোয়ানাভুক্ত আসামি ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করছে পুলিশ।

বুধবার দিনভর তাকে গ্রেফতারের গুঞ্জন ছিল। এদিন সকালে কারা অধিদফতরের এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোয়াজ্জেমের গ্রেফতারের বিষয়ে সবুজ সংকেত দেয়ার পর থেকেই ওঠে তার গ্রেফতারের গুঞ্জন।

অনেকে মোয়াজ্জেম গ্রেফতার হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা হয়নি।

এ বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. সোহেল রানা বলেন, ‘ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি। তাকে গ্রেফতারের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।’

ফেনীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোয় অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এক মামলার আসামি সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন।

মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে গত ৬ এপ্রিল পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এর দিন দশেক আগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানাতে সোনাগাজী থানায় যান নুসরাত। থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন সে সময় নুসরাতকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে বিব্রত করেন এবং তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ওই ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআই গত ২৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ওই দিনই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। পরোয়ানা জারির দুইদিন পর মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

আরো পড়ুন: ওসি মোয়াজ্জেমের আদি বাড়ি ঝিনাইদহে


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঘরে বসেই পুলিশকে তথ্য দিতে মোবাইল অ‌্যাপ

আগে পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে নগরবাসীর তথ‌্য সংগ্রহ করত অথবা বাড়ির মালিকরা থানায় গিয়ে ভাড়াটিয়াদের তথ্য দিয়ে আসতেন৷ এখন ঘরে বসেই

চার পুলিশ ঘুষ নেওয়ার পরও বেলালকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা

পরিবারের কাছ থেকে ‘৪৫ হাজার টাকা ঘুষ’ নেওয়ার পরও পুলিশ বেলালকে আদালতে হাজির না করে থানা হাজতে রাখে এবং রাতে কথিত অস্ত্র উদ্ধারে নিয়ে গিয়ে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা করে।

এসআই পরিচয়দানকারী ধর্ষক খায়রুলের খোঁজে পুলিশ

তারা পুলিশের হয়রানির ভয়ে কথা বলতে চাননি। তবে দুই একজন বলেছেন,

মন্তব্য লিখুন...

Top