16/09/2019 , ঢাকা

জাতীয় দিবসগুলো শিক্ষকদের কর্মদিবস হিসেবে গণ্য হোক


প্রকাশিত: 16/09/2019 02:03:02| আপডেট:
ফাইল ছবি

মাহফিজুর রহমান মামুন: প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন। এই দিনগুলো প্রাথমিক শিক্ষকরা ছুটি ভোগ করে থাকেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত ৭৫ দিনের বার্ষিক ছুটির তালিকায় জাতীয় দিবস যেমন শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, নববর্ষ, জাতীয় শোক দিবস, বিজয় দিবস ইত্যাদি বন্ধের তালিকায় থাকলেও তার নিচে স্পষ্ট করে লেখা থাকে, এই দিবসগুলোতে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করতে হবে।

প্রশ্ন হচ্ছে, বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে যেহেতু জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করতে হয়, তাহলে ঐ দিবসগুলো ছুটি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে কেন? আমরা শিক্ষকরা জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করি এবং ভবিষ্যতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে যাবো।

তাই এই দিবসগুলো আমাদের কর্মদিবস হিসেবে গণ্য করা উচিত এবং জাতীয় দিবসের জন্য নির্ধারিত ঐ ছুটিগুলো আমাদের অন্য ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হোক। এ বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মাহফিজুর রহমান মামুন,
বোদা, পঞ্চগড়।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সেজে শিক্ষকের অভিনব প্রতারণা

শনিবার সকালে তিনি এসে কাগজপত্র হাতে নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টির জন্য খরচের টাকা দাবি করেন।

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা এখনো ঘষামাজা চলছে

কর্মকর্তারা বলছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা এখনো ঘষামাজা চলছে। তালিকায় কতগুলো স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালা সংশোধনীতে যা থাকছে

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্‌রাসা পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম আর দুর্নীতির অসংখ্য অভিযোগ জমা হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

মন্তব্য লিখুন...

Top