16/09/2019 , ঢাকা

চাকুরি জাতীয়করণের দাবি ৮৪০ শিক্ষকের


প্রকাশিত: 16/09/2019 22:52:00| আপডেট:

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: ইউএনডিপির অর্থায়নে ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের বাস্তবায়নে তিন পার্বত্য জেলার ২১০প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছেন। শনিবার সকাল ১১টায় রাঙ্গামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ৮৪০জন শিক্ষক।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ২১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমন্বয় কমিটির আহবায়ক ও রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার জামুছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অরুণ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। তিনি জানান, ‘তিন পার্বত্য জেলার ২১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০১৭ সালে জাতীয়করণ করা হলেও দুই বছরেও ওইসব বিদ্যালয়ে কর্মরত ৮৪০ শিক্ষককে সরকারিভাবে চাকরিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। টানা প্রায় দীর্ঘ ছয় বছর ধরে বেতন-ভাতা ছাড়াই চাকরি করে যাচ্ছেন তারা। ফলে পরিবার নিয়ে আর্থিক দৈন্যতার মধ্যে চরম মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে প্রত্যেক শিক্ষককে।’

তিনি আরও জানান, ‘২১০ বিদ্যালয় জাতীয়করণ করায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সুবিধা সহায়তা ও মৌলিক শিক্ষাদান (সিএইচটিডিএফ) প্রকল্পের আওতায় ২০০৮ সালে ওই ২১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে রাঙ্গামাটিতে ৮১, খাগড়াছড়িতে ৪৯ ও বান্দরবানে ৮০টি বিদ্যালয় রয়েছে। প্রকল্পের অধীন শিক্ষকদের স্বল্প বেতনভাতাসহ বিদ্যালয়গুলো পরিচালনা করা হয় ২০০৯ সাল থেকে ২০০১৪ সাল পর্যন্ত। এরপর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে বেতন-ভাতা ছাড়াই চাকরি করে আসছেন ৮৪০ শিক্ষক। এরই মধ্যে ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ২১০টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে সরকার। কিন্তু শিক্ষকদের চাকরি নিয়ে আজ পর্যন্ত জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন ঘোষণা করা হয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য সচিব ও খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আলুটিলা পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রশান্ত ত্রিপুরা, কমিটির সদস্য ও বান্দরবানের রুমা উপজেলার চংলকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উচহাই মার্মাসহ তিন জেলার প্রায় শতাধিক শিক্ষক।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সেজে শিক্ষকের অভিনব প্রতারণা

শনিবার সকালে তিনি এসে কাগজপত্র হাতে নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টির জন্য খরচের টাকা দাবি করেন।

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা এখনো ঘষামাজা চলছে

কর্মকর্তারা বলছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা এখনো ঘষামাজা চলছে। তালিকায় কতগুলো স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালা সংশোধনীতে যা থাকছে

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্‌রাসা পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম আর দুর্নীতির অসংখ্য অভিযোগ জমা হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

মন্তব্য লিখুন...

Top