22/09/2019 , ঢাকা

অভাবের কাছে হার মেনে দুই সন্তান নিয়ে মায়ের আত্মহত্যা


প্রকাশিত: 22/09/2019 16:15:38| আপডেট:

যশোর ও বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার চালিতা বাড়ীয়া দীঘা গ্রামে রবিবার রাতে অভাবের কাছে হার মেনে দুই শিশু সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর এক মা আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নিহতরা হলেন- ইব্রাহীমের স্ত্রী হামিদা খাতুন (৩৫), স্কুলপড়ুয়া মেয়ে শরিফা খাতুন (১১) ও ছেলে সোহান হোসেন (৪)। পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় কাইবা ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম টিংকু বলেন, শুধুমাত্র চা-বিক্রি করে সংসার চলতো দরিদ্র ইব্রাহিমের। পরিবারে অভাব লেগেই থাকতো। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-ফ্যাসাদ হতো। এদিন রাতেও তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিবেশী ও পরিবারের লোকেরা। এরপর দুই সন্তানকে বিষ ট্যাবলেট খাইয়ে হত্যার পর নিজেও বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন ওই নারী।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, দারিদ্র্যতার নির্মম কষাঘাতে জর্জরিত পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা থাকে বছরের প্রায় সারাটা সময়। ফলে গন্ডোগোল-ঝামেলা লেগেই থাকত সংসারে। এমন অবস্থায় সামনে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরে সন্তানদের নতুন জামা-কাপড় ও কেনাকাটা করতে না পারায় স্বামী ইব্রাহীমের সাথে স্ত্রী হামিদা খাতুনের রাতে ঝগড়া হয়। এরপর সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রাত ১২টার দিকে স্কুলপড়ুয়া মেয়ে শরিফা খাতুন ও ছেলে সোহান হোসেনকে খাবারের সাথে কীটনাশক (বিষ ট্যাবলেট) খাইয়ে নির্মমভাবে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর হামিদা খাতুন নিজেও বিষ ট্যাবলেট খেয়ে আত্নহত্যা করেন।

শার্শা থানার ওসি মশিউর রহমান স্টারমেইল টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, খবর পেয়ে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত নারীর শ্বশুর ও শাশুড়িসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

তবে, ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা তা নিয়ে গুঞ্জন দেখা দেয়ায় এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, ময়না তদন্ত রিপোর্ট ছাড়া এ ঘটনা হত্যা না আত্মহত্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

যশোরে পুলিশের ফাঁদে পা দিয়ে ধরা খেলেন যুবক

শনিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ ৮টি মামলা আছে।

এসআই পরিচয়দানকারী ধর্ষক খায়রুলের খোঁজে পুলিশ

তারা পুলিশের হয়রানির ভয়ে কথা বলতে চাননি। তবে দুই একজন বলেছেন,

পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় স্বামীকে হত্যা করে স্ত্রী

ঝিনাইদহের শামীমা ক্লিনিকের সামনে থাকেন। রাত ১০টার দিকে ক্লিনিকের সামনে তাকে গাড়িতে পেছনের ছিটের মাঝখানে বসিয়ে তাহমিনা ও আলামিন দুই পাসে বসেন।

মন্তব্য লিখুন...

Top